• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮
  • ||
  • আর্কাইভ

ইউপি সদস্য প্রার্থীর পরিবারের সংবাদ সম্মেলন কচুয়ায় মামলা প্রত্যাহার ও ভোট পুনঃগণনার দাবি

প্রকাশ:  ১৩ জানুয়ারি ২০২২, ১২:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট


 কচুয়ায় ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার ও ভোট পুনরায় গণনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলার কড়ইয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সিকদারের পরিবারের সদস্যরা। গতকাল বুধবার বাসাবাড়িয়া গ্রামে তাঁর পক্ষে পরিবারের সদস্যরা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের পুত্রবধূ আমেনা আক্তার পিমা বলেন, ৫ জানুয়ারির ইউপি নির্বাচনে বাসাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ ওয়ার্ডে ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দিনভর ভোট গ্রহণের পর বিকেল ৪টা থেকে ভোট গণনা শেষে রাত ৮টা পেরিয়ে গেলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জাকির হোসেন ওই কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা না করায় কেন্দ্রের বাইরে একদল উশৃঙ্খল লোক হৈচৈ করে পরিবেশকে অশান্ত করে তোলে। এক পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা ও ইউপি সদস্য প্রার্থী মানিক মিয়াকে প্রশাসনের লোকজন এসে গাড়িতে করে নিয়ে যায়। কেন্দ্রে আর ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।
আমেনা আক্তার পিমা আরো বলেন, আমার শ^শুর সিরাজুল ইসলাম ভোট প্রাপ্তিতে এগিয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর পুলিশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে আমাদের ঘরে জোরপূর্বক প্রবেশ করে আমার শ^শুর সিরাজুল ইসলাম সিকদার, স্বামী হাসমত উল্লাহ, দেবর সাইফুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান, মহসিন, নাইমুর রহমান, ভাগিনা নাজমুল হুদা ও নাহিদুল ইসলাম, ফুফি আয়শা বেগমকে মারতে মারতে টেনে-হেঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার ৩৮জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০/৩০জনকে অজ্ঞাত আসামী করে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে। আমার শ^শুর ও দেবরসহ নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধে মামলায় রাস্তা কেটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, গাড়ি ভাংচুরসহ যেসব অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমি এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে মিথ্যা মামলা পরিহার, পুনরায় ভোট গণনা ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ওই দিনের ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানাই।