• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
  • ||
  • আর্কাইভ

সপ্তাহে ১ দিন চেকে স্বাক্ষর করেন জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা

প্রকাশ:  ৩০ মে ২০২৩, ০৯:২০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

চাঁদপুর জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার পদটি শূন্য হয় গত মাসের ৬ এপ্রিল। সে থেকেই অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে কাজ করছেন চট্টগ্রাম জেলার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হোসেন। তিনি সপ্তাহে ১ দিন চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসেন। তার কাজের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনিও আগামী মাসের ১৫ তারিখ চাকুরি থেকে অবসরে যাবেন। আর ১ দিন পর জুন মাস শুরু হবে। তখন জুন ক্লোজিং হিসেবে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দেনা-পাওনা শোধ করতে হয়। কারণ ১ মাস পরেই নতুন অর্থবছর শুরু হবে। তাই সরকারি দপ্তরের জন্য এ মাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ, শিক্ষা প্রকৌশল, গণপূর্ত বিভাগ, জনস্বাস্থ্য বিভাগ এ রকম আরো অনেক দপ্তর রয়েছে। এ দপ্তরগুলো সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করে ঠিকাদারের মাধ্যমে। ঠিকাদার তার কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী তার অনুকূলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে যে বরাদ্দ পান সেটি জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা তার কার্যালয় থেকে ঐ প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে চেক প্রদান করেন। চেক কালেকশন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্যাংকে জমা দিয়ে কালেকশন হলে টাকা উত্তোলন করে মালামালের মূল্য পরিশোধ করেন। এভাবে তাদের কর্মচারী, মিস্ত্রি ও লেবারের মজুরি পরিশোধ করেন। কিন্তু সময়মতো চেক না পেলে তাদের কাজ বাস্তবায়ন করা দুরূহ হয়ে যায়। অনেক ঠিকাদার আছেন বিভিন্ন এজেন্সী থেকে মালামাল বাকিতে নিয়ে কমিটমেন্ট করেন অমুক দিন চেক পাবেন এবং সে অনুযায়ী মালামাল এনে উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করেন। এ সময়ে যদি হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা নিয়মিত না থাকেন তাহলে ফাইল রেডি হলেও চেকের জন্যে অপেক্ষায় থাকতে হয় সংশ্লিষ্ট চেক গ্রহণকারীদের।
সংশ্লিষ্ট অনেকে বলেছেন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেকে চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণ করায় এ পদে অনেক জেলায় পদটি শূন্য রয়েছে। বিশেষ করে পাশর্^বর্তী জেলা লক্ষ্মীপুরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার পদটিও শূন্য রয়েছে। পদোন্নতি না হওয়ায় এ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে ডিএএফও মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসতে তার অনেক কষ্ট হয়। এক জেলার ডিএএফও অন্য জেলায় দায়িত্ব পালন করতে চায় না। তাই তাকে অনুরোধ করে চাঁদপুরের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, তার চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হবে আগামী মাসের ১৫ তারিখ। তার পূর্বেই ১২/১৩ তারিখের মধ্যে তিনি অবসর নিবেন। এর মধ্যেই হয়তো কর্তৃপক্ষ নতুন হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব একাউন্টস (ডিসিএ) মঞ্জুর আহমেদ-এর মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করার জন্যে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। পরবর্তীতে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 

সর্বাধিক পঠিত