• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • রোববার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
  • ||
  • আর্কাইভ

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মুখে যুদ্ধের গল্প শুনলেন শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ:  ১১ আগস্ট ২০২৩, ১২:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যুদ্ধকালীন বীরত্বগাথা ইতিহাস শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরলেন মুক্তিযোদ্ধারা। রণাঙ্গনের বীর যোদ্ধাদের মুখ থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি যুদ্ধের বিবরণ শুনে ভবিষ্যত প্রজন্ম দেশপ্রেমে হয়েছে উজ্জীবিত। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশটাকে কীভাবে জাতির পিতার নেতৃত্বে বীর বাঙালি যুদ্ধ করে স্বাধীন করেছে সেই ইতিহাস শুনে শিক্ষার্থীদের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত হয়েছে। চাঁদপুরের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত ইতিহাস শুনলো।
গতকাল ১০ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন প্রকল্পের উদ্যোগে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান। জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ শুনে আমি ৭১’র প্রজন্ম না হয়েও সেই সময়টাকে অনুভব করতে পেরেছি। আমরা পড়াশোনা যখন করেছি তখন এ ধরনের বইয়ে বা এ রকম অনুষ্ঠান করে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার সুযোগ ছিলো না। তখন নিজের মুক্তিযোদ্ধা পিতার কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির কথা শোনতাম। এ রকম অনুষ্ঠানের কারণে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার দারুণ সুযোগ হয়েছে। তিনি বলেন, শোকের মাসে শোককে শক্তিতে পরিণত করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বশির আহমেদ। সাংবাদিক এমআর ইসলাম বাবুর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ নূরুল আমিন ও চাঁদপুর প্রেসক্লাবের প্রেসক্লাবের সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহ।
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে যুদ্ধকালীন বীরত্ব গাথা শোনান জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচিত কমান্ডার যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা লেঃ (অবঃ) এমএ ওয়াদুদ, ভারতীয় তালিকাভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মুসলিম খান, সদর থানার সাংগঠনিক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন ও হাজীগঞ্জ থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা শোনানো শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপস্থিত কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ী ১০ জন শিক্ষার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি ও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।