• পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
  • শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১
  • ||
  • আর্কাইভ

প্রধানমন্ত্রীসহ শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি সুধীজনদের কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন

প্রকাশ:  ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১৩:০৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট

চাঁদপুর শহর রক্ষাবাঁধের জন্য ৮শ’ ২৭ কোটি টাকা গতকাল একনেকে অনুমোদন হয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শিক্ষামন্ত্রী ও চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি ডাঃ দীপু মনির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেছেন এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন নদী সিকস্তি পুরাণবাজারের বিশিষ্ট সুধীজন ও চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ।
তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সংগঠক তমাল কুমার ঘোষ বলেন, চাঁদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন হওয়ায় আমি চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে মাদার অব হিউম্যানিটি অর্থাৎ মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও চাঁদপুরের উন্নয়নের রূপকার শিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাঁদের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপে ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর নদীবন্দর তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে এবং চাঁদপুরের সম্ভবনাময় বাণিজ্য বন্দরে রূপান্তরিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে যেমনিভাবে প্রসারতা লাভ করবে ব্যবসা-বাণিজ্যর, তেমনিভাবে ফিরে আসবে ব্যবসায়ীদের হারানো মনোবল। দেরিতে হলেও এই প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছে চাঁদপুর--এই অভিমত ব্যক্ত পূর্বক দ্রুত গতিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান তিনি।
জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদ সভাপতি ও চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় তাঁর অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, যুগান্তকারী এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে পুরাণবাজারের চিত্রই পাল্টে যাবে। মানুষ আবারো ফিরে আসতে চেষ্টা করবে এখানে। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যের যেমন উন্নতি হবে তেমনি বাস্তবায়ন হবে সরকারের অর্থনৈতিক উন্নয়ন। তিনি সরকারের এই সাহসী পদক্ষেপে জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশপূর্বক দেশের উন্নয়নে তাদের দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন পুরাণবাজার হরিসভা এলাকার একসময়ের বাসিন্দা, পুরাণবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম খান। তিনি শহর রক্ষাবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের সংবাদে শোকরিয়া আদায় করে বলেন, আমরা এই প্রকল্প অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রীসহ চাঁদপুরের এমপি শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা মনে করি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজের স্বচ্ছতা রক্ষায় ভালো কোনো সংস্থার মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন হবে। বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে থাকলে তা ভেস্তে যাবে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে অভিমত জানান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী সফিউল্লা স্বপন। তিনি বলেন, দেরিতে হলেও শহর রক্ষায় প্রকল্পের অনুমোদন লাভ করায় আমরা খুশি। তবে সরকারের শেষ সময়ে তা পাস না হয়ে যদি আরো আগে পাস হতো তাহলে আরো ভালো হতো। অভিমত ব্যক্ত করেন চাঁদপুর রাইস মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাঈনুল ইসলাম কিশোর। তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, সরকারের শেষ সময়ে চাঁদপুর শহর রক্ষায় যে সাহসী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তাতে আমরা অনেক খুশি। আমরা মনে করি, এই প্রকল্প যদি আশানুরূপভাবে বাস্তবায়ন হয় তাহলে ব্যবসায়ীদের হারানো মনোবল ফিরে আসবে। তারা নতুন উদ্যমে কাজ করার শক্তি পাবে, গড়ে উঠবে নতুন নতুন শিল্প কারখানা। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আরেক উদীয়মান ব্যবসায়ী সুকান্ত সাহা টিটু। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির বিচক্ষণতায় এই প্রকল্প অনুমোদন লাভ করেছে। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শিক্ষামন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি বর্ষা মৌসুমে কাজ না করে যদি  শুকনা মৌসুমে কাজ করা হয় তাহলে কাজের গুণগতমান দৃশ্যমান হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন। আরেক ব্যবসায়ী হরিসভা এলাকার বাসিন্দা, নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত টুটন বণিক জানান, নদী ভাঙ্গনের ফলে আমি আমার বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারিয়েছি। আজ শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। আশা করি তা বাস্তবায়ন হলে আমার মতো আর কাউকে নদী ভাঙ্গনের কারণে বাপ-দাদার বাড়িঘর হারাতে হবে না। তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ ডাঃ দীপু মনির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
চাঁদপুর শহর রক্ষাবাঁধের জন্য ৮শ’ ২৭ কোটি টাকা গতকাল একনেকে অনুমোদন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ শিক্ষামন্ত্রী, চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি ডাঃ দীপু মনির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেছেন জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক তমাল কুমার ঘোষ। আরো অভিনন্দন জানান, জেলা জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি পরেশ চন্দ্র মালাকার ও সাধারণ সম্পাদক কার্তিক সরকার।

 

সর্বাধিক পঠিত